সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন। চুয়াডাঙ্গা চৌধুরী পাড়ায় পানের বরজ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ প্রদান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনলে মানুষ আজও উদ্দীপ্ত হয়: জর্জ (এমপি) ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে ভেড়ামারা থানার উদ্যোগে আনন্দ উদযাপন ও আলোচনা সভা কুষ্টিয়ার ডিবি পুলিশের অভিযানে এক কেজি গাজাসহ আটকঃ ১ সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ও আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কুষ্টিয়ায় মালবাহী ট্রেনের সাথে রেলওয়ে ট্রলির সংঘর্ষে পাঁচ বগি লাইনচ্যুত প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত ‘একটি পরিবার’! বিচারের আশায় দিন গুনছে… ভেড়ামারায় জাসদ ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা ধরমপুর ইউনিয়নে ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  

ভেড়ামারা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত জননেতা কুব্বাত পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি তারিক’র আগমনী বার্তা

বাবলু মোস্তাফিজ, সম্পাদকঃ আন্দোলনের ডাক / ২৩১৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

বাবলু মোস্তাফিজ/প্রদীপ সরকারঃ

ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। বহু নেতাকর্মীর সংগ্রাম ও ত্যাগে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও জাতির জনপ্রিয় দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্যাগী, সাহসী ও দলের জন্য আত্ন নিবেদীতপ্রাণ কর্মী ও নেতার সংখ্যা অগণিত। যারা কোন নেতার আর্শিবাদ বা লোক দেখানো আদর্শে তৈরী হয়নি। তারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র আদর্শে বলিয়ান।
এসব ত্যাগী নেতাকর্মী পদ-পদবী বা কোন আশায় আওয়ামীলীগ করে না। এমন কর্মীর সংখ্যাও অগণিত। দূর্ভাগ্য বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে এসব কর্মীদেরকে খালি চোখে খুঁজে পাওয়া দূষ্কর। কারন  দলছুট সদ্য দলে ঢোকা অনুপ্রবেশকারীদের ভিরে।

তবে সফল প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দলছুটদের ব্যপারে চরম হুশিয়ারি দিয়েছেন।
বাংলাদশের উন্নয়নের রূপকার ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঠিকই  এরই মধ্য সারা দেশ থেকে তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের ত্যাগ ও যোগ্যতার জন্য পুরুস্কৃত করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।

ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগকে গণমানুষের প্রিয় দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে যার অবদান সব চাইতে বেশি। যার শ্রম ও মেধা দিয়ে আওয়ামীলীগকে ভেড়ামারায় তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছেন। যিনি সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন অকুতভয় সৈনিক হিসাবে কাজ করে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সামনের সাড়ির একজন যোদ্ধা, জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন, ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত, জনপ্রিয়, ত্যাগী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শফিউল ইসলাম কুব্বাত।

তিনি ১৯৭৫সাল থেকে ২০০৭সাল পর্যন্ত একটানা ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্বে থাকা, যা সমগ্র বাংলাদেশে এমন ঘটনা বিরল। তিনি ঐ সময়কালে কর্মীদের এতোটাই প্রিয় ও আস্থাভাজন প্রিয় জননেতা ছিলেন, তার বিকল্প, তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবনার জগতেই নিয়ে আসেনি। তিনি দলীয় কর্মকান্ডে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আকুতভয় পরিক্ষিত সৈনিক এবং আওয়ামী পরিবারের একজন যোদ্ধা হওয়ায় আজকের জনপ্রিয় ও সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১সালে দেশে এসেই দলীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে প্রথম কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আসেন এবং তার বাসায় উঠে বিভিন্ন দলীয় কর্মসুচীতে অংশ নেন। এরপর ১৯৯১ সালে আবারও ভেড়ামারায় আসেন ৩দিন অবস্থান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীসহ জনতার সাথে গণসংযোগের এক বিরল নজির স্থাপন করেন। সেই ত্যাগী পরীক্ষিত পরিবারের এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত জননেতা কুব্বাত বয়সের ভারে আজ ন্যুজ। কিন্তু আওয়ামীলীগের ধ্যান, জ্ঞান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও চেতনায়  যে পরিবারে, আওয়ামীলীগের স্লোগান ধ্বনিত হয়, সেই পরিবারের রক্তে মুজিব আর্দশের প্রজন্ম সৃষ্টি হবে, এটাই চরম সত্য ও বাস্তবতা যা কালের আবর্তে প্রমানিত। এমন বাস্তবতার প্রমাণ দিয়েছে পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি তার কনিষ্ঠ সন্তান আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক পদ-পদবীর বাইরে থেকেও আওয়ামীলীগের আত্নপ্রাণ, বঙ্গবন্ধু’র  আদর্শে একজন পরিক্ষিত কর্মী হিসাবে নিজেকে কিশোর বয়স থেকেই  বার বার প্রমাণ করে এই পর্যন্ত এসেছেন।

১৯৯৪-৯৫’র বিএনপি-জামায়াত সরকার বিরোধী গণ আন্দোলনের সমনের সারির  অকুতভয় এক সাহসী সৈনিক, বহু হামলা-মামলার স্বীকারের সেই ছাত্র নেতা  বর্তমানে জনসেবা ও সমাজসেবা মূলক কাজের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগ ও ভেড়ামারার প্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিউল ইসলাম কুব্বাত। আর তার রাজনৈতিক  কুব্বাত পরিবারের আলো ত রয়েছেই, পাশাপাশি তারিকুজ্জামান তারিক’র ত্যাগ, সাহসী সাবেক সফল ছাত্র নেতার তকমা ও পরবর্তিতে জনসেবা এবং সমাজ সেবামুলক কর্মকাণ্ডের প্রিয় মূখ উপরোক্ত এ তিনটি দিক মিলেই তারিক এখন ভেড়ামারার একটি উজ্জল তারকাখচিত নাম।

জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিউল ইসলাম কুব্বাত ছিলো ভেড়ামারা আওয়ামী লীগের কান্ডারী। তার বাড়ি ছিলো আওয়ামী লীগের ঠিকানা। হাজারো নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো সে বাড়ি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছে কোটি বার। অনেক সফল আন্দোলনের সূচনা ও সনাপ্তি নেতাকর্মীদের একমাত্র কর্যক্রমের বাতিঘর জননেতা কুব্বাতের বাড়ি। আবার হামলা-ভাংচুর লুটপাটের  স্বীকারও হয়েছে বহুবার।
এ বাড়ি থেকে রচিত আওয়ামী লীগের শেকড় আজ ভেড়ামারা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। এবাড়ি বহু নেতা তৈরির কারখানা। সে বাড়িতে বেড়ে ওঠা যোগ্য সন্তানের রাজনৈতিক ময়দানে আগমনী বার্তা নিয়ে আসা আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক ভেড়ামারাবাসীর প্রিয়,আস্থার ও যোগ্য নেতা হিসাবে আবির্ভাব হতে চলেছে।

প্রকাশ্যে দল না করেও আওয়ামীলীগের জন্য আত্নপ্রাণ ও ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়া বহু সাধারন মানুষ চাচ্ছে ভেড়ামারা  আওয়ামীলীগের কান্ডারী  কুব্বাত পরিবারের  রাজনৈতিক ঐতিহ্য বহনে তার পরিবার থেকে উঠে আসুক একজন উত্তরসূরি। আর যোগ্য উত্তরসূরি হিসাবেই আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিকের বিকল্প নেই। আর তাই সময়ের দাবিতে  বইছে  তারিকের আগমণি বার্তা। বিচক্ষন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলের এমন আত্নপ্রাণ ও ত্যাগী অনেক নেতাদের পরিবার থেকে তুলে  নিয়ে তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দলে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জায়গা করে দিয়ে   মুল্যায়ন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। এখন  শুধু অপেক্ষায় রয়েছেন, ভেড়ামারা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত ঐতিহ্য রাজনৈতিক কুব্বাত পরিবার। এখন শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এটা হলে হবে পরীক্ষিত নেতার প্রাপ্তির সর্বোচ্চ পুরুস্কার।

আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক উপজেলা আওয়ামী সংগঠনের অন্যতম একজন মেধাবী কর্মী হিসাবে ১৯৮৮ সালে ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর সংসদের সদস্য হন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ও জন্মদাতা পিতা জননেতা মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত’র হাত ধরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। পরবর্তীতে সে ১৯৯১ সালে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয় ও দীর্ঘ সময় মাজাহারুল আলম সুমন’র নেতৃত্বাধীন জেলা ছাত্রলীগ কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তার কোন পদ-পদবী না থাকলেও ভেড়ামারা পৌর আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য। তিনি দলীয় পদ পদবীর দিকে না ঝুঁকে জননেতার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন অবিরাম।

বঙ্গবন্ধু বলতেন, জনসেবার মধ্যেই জননেতার পরিচয়। ঠিক এই কথাটির উপর দাড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধারাবাহিকভাবে জনসেবায় সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে দায়িত্বপালন করছেন, আলোড়ণ সৃষ্টিকারী সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষের পাশে দাড়ানোই যাদের মূল উদ্দেশ্য “ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতি’র” যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে। এছাড়াও তিনি নর্থ সাউথ এসোসিয়েশনের সভাপতি। আছেন মেধাবী ফাউন্ডেশনের সদস্য ও ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য হিসাবে। এসব সংগঠনে থেকে সেবা করার পাশাপাশি তার একান্ত ব্যক্তিগত সেবা মূলক কল্যাণফান্ড থেকে নিয়মিত ভাবে অসহায় ও দুঃস্থ্য মানুষকে সেবা-সহায়তা দান অব্যাহত রেখে আসছেন।

সাধারন মানুষের সাথে রয়েছে তার গভীর আত্মার ও ভালো বাসার সম্পর্ক। নিয়মিত নেন তাদের পারিবারিক খোঁজখবর। আপদ-বিপদে ছুটে যান তাদের মাঝে। ভেড়ামারাতে জননেতা কুব্বাত পরিবারের সন্তান হিসাবেই শুধু পরিচিতি লাভ করেনি, নিজ গুণে গুণাবলীত হয়ে জনতার মাঝে তার স্বতন্ত্র পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে।

দল ক্ষমতায় থাকলেও প্রভাব বিস্তারের মানুষিকতা থেকে আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক অনেক দুরে। পদ পদবীর লড়াইয়ে দেখা যায়নি তাকে নোংড়া রাজনীতির ময়দানে।

রাজনীতিতে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর সংঘের সদস্য, ১৯৯১ সালে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন, ১৯৯৪-৯৫সালে বিএনপি-জামাত বিরোধী গণ আন্দোলনে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসাবে ভূমিকা পালন। এসময় ১৪টি মামলা ও অগনিত হামলার স্বীকার হন এবং দীর্ঘ সময় বাড়ি ছাড়া হন। ১৯৯৪-৯৫ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মেধাবী ছাত্র তারিকুজ্জামান তারিক সেখানে জামাত-শিবির কর্তৃক কয়েকদফা হামলার স্বীকার হয়েছে। সে সময়ে পরীক্ষার শেষের দিন পরীক্ষার নির্দ্ধারিত সময়ের ১ঘন্টা আগে খাতা জমা দিয়ে কৌশলে চলে আসতে পারায় সেদিন ঘটেনি কোন অঘটন। অথচ সেদিন হত্যার মিশন নিয়েই জামাত-শিবির চক্র প্রস্তুত ছিল। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আন্দোলনের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে ভেড়ামারা ছাত্রলীগ কর্মীদের মাইক্রোবাসযোগে নিয়ে গিয়ে সেখানে অনেক কর্মসূচী সফল করেছেন। ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে পদ পদবীতে না থেকেও তার নেতৃত্ব গুনে ছাত্রলীগ সংগঠনটি বিকশিত ও সফল আন্দোলনের ময়দানে অবস্থান করেছেন সব সময়। এছাড়াও রাজনীতিতে বহু স্বরণীয় ঘটনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনাকালীন চড়ম দুঃসময়ে যে গুটি কয়েক জনদরদী ও জনসেবক ব্যক্তি, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক একজন। সে সময় তিনি প্রথমেই দ্রুত ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে অতি দুঃস্থ্য ও অসহায় ১৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। প্রয়োজনে ব্যক্তি বিশেষে নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেন। এরপর তার ফাউন্ডেশন ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতি’র কাছে ভেড়ামারার দুঃস্থদের একটি তালিকা তৈরি করে পাঠান। যে তালিকাটি ছিল সত্যিকার অর্থেই দুঃস্থ্যদের তালিকা এবং ত্রাণ বিতরণেও ছিল ব্যাপক স্বচ্ছতা। ত্রাণে দেওয়া খাবার সামগ্রীর মানও ছিল উচু মানের এবং বাস্তব চাহিদা সম্পন্ন। এই গুলো সম্ভব হয়েছে তার সেবার ভাবনা থেকে ও বিচক্ষন্নতার পরিচয়ের মাধ্যমে।
তিনি প্রথমেই যে উদ্যোগ গ্রহন করেন, মানুষকে করোনা ভাইরাসের থাবা থেকে রক্ষার জন্য মাস্ক প্রয়োজন। সে সময় বাজারে একেকটি মাস্ক এর দাম ছিলো সে সময় সর্বনিম্ন ৫০টাকা। এমতাবস্থায় অনেক উদ্বিগ্ন মানুষ খাবার না মাস্ক কিনবে এই দুটানায় মাস্কের ব্যবহার তলানীতে গিয়ে পৌছে। এমন সময় ৫হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে ভেড়ামারা সমিতির নামযুক্ত মাস্ক মানুষের মুখে মুখে দেখা গেছে। যা করোনা মোকাবেলায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে ধরা হয়। এর পরেই সবাইকে সচেতন করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সর্ব শেষে করোনায় মৃত্যুবরণ কারী মানুষের দাফন-কাফন ও সৎকারে কমিটি গঠন করে তাদের সুরক্ষার সরঞ্জামসহ লাশ বহনে ভ্যান, কোদাল, শাবল, পিপিই ও খাটিয়ার ব্যবস্থা করেন। আর এসবই করোনাকালীন সময়ে সামনের সারীতে অবস্থান নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। এছাড়াও তিনি প্রতি শীত মৌসুমে শীতার্তদের জন্য কম্বল বিতরণ করে আসছেন।

আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক বলেন, নিঃসন্দেহে আমার পিতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্যাগী, সাহসী ও দলের জন্য আত্ন নিবেদীতপ্রাণ একজন কর্মী ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শীত হয়ে আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত। আমার পরিবার আওয়ামী পরিবার। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে জনগণের সেবায় নিবেদীত থাকার চেষ্টা করছি। জনগণের কল্যাণে কাজ করেছি এবং এখনও করে যাচ্ছি। বিগত দিনে আমার পরিবার আওয়ামী পরিবার হওয়ায় ও নেতৃত্ব দেওয়ায় বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা টার্গেট করে আমাদের বাড়িতে হামলা-মামলা ও ভাংচুর,লুটপাট সহ নেতা কর্মীদের উপর অত্যাচার, নির্যাতনসহ মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে, বাড়ি ছাড়া হয়েছি, সহ্য করতে হয়েছে অনেক যন্ত্রনা।

করোনাকালের সময় মানুষের পাশে দাড়ানোয় বিশেষ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি ঢাকাস্থ সমিতির সকল নামী-বেনামী সদস্যদের। এই সমিতির ত্রাণ সুষ্ঠ ভাবে প্রকৃত দুঃস্থদের মাঝে পৌছে দিতে পেরেছি বলে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্টি আদায় করছি। ব্যক্তিগত ভাবে যতটুকু পেরেছি ততটুকুই যত্নসহকারে বিতরণ করেছি। রাজনৈতিক কর্ম পরিকল্পনায় কি রয়েছে জানতে চাইলে, তিনি জানান, দল ও দলের নেতাকর্মীরা যদি আমাকে চায় এবং নির্বাচনের সুযোগ দেয় তাহলে আমি প্রস্তুত রয়েছি। পূর্ব থেকেই জনসম্পৃক্ততার মধ্যেই আমি ছিলাম এবং বর্তমানেও রয়েছি। সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও আমাদের প্রিয় জননেতা কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার জনাব মাহাবুব-উল-আলম হানিফ এমপি’র নেতৃত্বে দল বিকশীত ও শক্তিশালী হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন মুলক কাজ হওয়ায় মানুষের আস্থা ও দৃঢ় বিশ্বাস এখন আওয়ামীলীগের উপর। সে কারনেই নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে  আমার ব্যক্তিত্ব ও  নিজ গুণাবলী বিতর্কমুক্ত থাকায় এবং দলের উন্নয়নের সাফল্য নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া আমার পক্ষে সহজেই সম্ভব হবে।

ভেড়ামারায় রাজনৈতিক ভাবে সচেতন মানুষ ও দলের ত্যাগী পোড়খাওয়া নেতাকর্মী এবং সব সময়ের জন্য আওয়ামীলীগকে সমর্থন করে যাওয়া অগণিত জনতার চাওয়া ও আশা, ভেড়ামারা রাজনীতির অঙ্গনে যে গুটি কয়েক নেতা, দলের অবদান রেখেছে তাদের মধ্যে কিংবদন্তীতুল্য রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে একমাত্র জীবিত রাজনৈতিক কিংবদন্তী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত এবং তার পরিবারকে মুল্যায়ন করার সময় এসেছে।

ইতিমধ্যেই কুষ্টিয়া জেলায় এমন অনেককে মুল্যায়ন করে বিচক্ষন্নতা প্রমাণ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। সেরূপ আমাদের প্রত্যেকের প্রিয়, সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার গুড লিষ্টে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত পরিবারের নাম। এ পরিবার থেকে
যোগ্য জননেতার আগমনীর বার্তা বাহক, দলের ঝান্ডা সমন্বিত রাখার যোগ্য উত্তরসূরি আলহাজ্ব তারিকুজ্জামান তারিক এর নাম সবাই দেখতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
       
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
এক ক্লিকে বিভাগের খবর