মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আল সালেহ লাইফ লাইনের ভালোবাসার উপহার গরিব দুস্হ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা হানিফ এমপির সুস্বাস্থ্যতা কামনা ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান বাঁশখালী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে ক্ষোভ প্রকাশ ও শাস্তির দাবী জানান কুষ্টিয়া শাখার জাতীয় গণফ্রন্ট ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্র ডুবে গিয়ে নিহত। ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ৩শত শ্রমিক ধান কাটতে নাটোরে ভেড়ামারায় ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদা দাবীর অভিযোগে যুবলীগ নেতা শরিফুজ্জামান সুমন গ্রেফতার; মামলা দায়ের। কুমারখালীতে হাত পা বাঁধা কৃষকের লাশ উদ্ধার কুমারখালীতে ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যা, থানায় মামলা দৌলতপুর সীমান্তে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক দৌলতপুরে লকডাউনের তৃতীয় দিন রাস্তার মোড়ে মোড়ে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  

হজের ফযিলত: তাৎপর্য ও গুরুত্ব

লেখকঃ ড: মো: আব্দুল গাফফার মল্লিক / ৩১৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

হজ এর আভিধানিক অর্থ হলো সংকল্প করা, ইচ্ছা করা, যিয়ারত করা। যিনি স্বাধীন, পথ বিপদমুক্ত, প্রাপ্ত বয়স্ক, দৃষ্টি শক্তি সম্পন্ন, সফরের প্রয়োজনীয় অর্থের মালিক ও যে মহিলার নিরাপত্তার জন্য স্বামী বা অন্য কোন মুহরিম ব্যক্তি রয়েছেন এমন মুসলিম নর-নারীর জীবনে একবার হজ করা ফরয। আল্লাহর বাণী- ‘‘ওয়া আতিমমুল হাজ্জা ওয়াল ওমরাতা লিল্লাহ”- আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা হজ ও ওমরা পালন কর”। (সূরাহ আল বাকারা-আয়াত-১৮৭)। শরীয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ৮ তারিখ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে কাবা ঘর তাওয়াফ করাসহ হজের নিয়তে মক্কা নগরীর কতগুলো নির্ধারিত স্থান যিয়ারত করাকে হজ বলে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- “ওয়া লিল্লাহি ‘আলান্নাছি হিজ্জুল বাইতি মানিসতাতায়া ইলাইহি সাবিলা” আর মানুষের উচিত যাদের সামর্থ আছে আমার গৃহে আসার জন্য সে যেন হজ সম্পাদন করে।( সুরাহ আলে ইমরান:৯৮) আল্লাহ তায়ালা ইব্রাহীম (আ:) কে হজের নির্দেশ প্রদান করেছেন: “লোক সমাজে হজের কথা ঘোষণা করে দিন। তারা যেন পদব্রজে এবং উটের পিঠে চড়ে দূর-দূড়ান্ত থেকে এসে হাজির হয়, যাতে তাদের কল্যাণ তারা প্রত্যক্ষ করতে পারে”। ( সুরাহ হজ) মহাগ্রন্থ আল কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হজের কথা উল্লেখ করে বলেছেন- ‘‘ স্মরণ কর সে সময়ের কথা যখন আমি কাবা গৃহকে মানবজাতির মিলনকেন্দ্র ও নিরাপত্তারস্থল করেছিলাম এবং বলেছিলাম, তোমরা ইবরাহীমের দাঁড়ানোর স্থানকে সালাতের স্থানরুপে গ্রহণ কর এবং ইব্রাহীম ও ইসমাঈলকে আমার গৃহ তাওয়াফকারী, ই‘তিকাফকারী ও রুকু সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখতে আদেশ দিয়েছিলাম।” ( সুরাহ বাকারা:১৯৬), উপরোক্ত আয়াত থেকে প্রমাণ হয় যে, হজের বিধান নতুন নয়। কাবা গৃহ নির্মাণের সময় হতে হজের বিধান চলে আসছে। ইসলামী শরীয়তে হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয ইবাদাত তাতে কোন সন্দেহ নেই। হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ। হজের সাথে হযরত ইবরাহীমের (আ:) সাথে স্মৃতিবিজরিত আত্নসমর্পনের ইতিহাস জড়িত। যা মুসলিম উম্মাহর জন্য তাৎপর্যমন্ডিত। হজের ফযীলতের ব্যাপারে অসংখ্য হাদীস রয়েছে তম্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদীস হলো: মহানবী সা: বলেছেন: “মান হাজ্জা লিল্লাহি ফালাম ইয়ার ফুছ ওয়া লাম ইয়াসফুক রাজায়া কা ইয়াওমিন ওয়ালাদাতহু উম্মুহু” অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্ঠির উদ্দেশ্যে হজ করেছে এবং হজ সমাপনকালে কোন প্রকার অশ্লীল কথা ও কাজে বা গোনাহের কাজে লিপ্ত হয় নাই, সে সদ্যজাত নিষ্পাপ শিশুর ন্যায় প্রত্যাবর্তন করেছে।। (বুখারী-মুসলিম,মিশকাত)
মহানবী সা: বলেছেন: “আল ওমরাতু ইলাল ওমরাতি কাফফারাতুল লিমা বাইনামাহুমা ওয়াল হাজ্জুল মাবরুরু লাইছা লাহু জাযাযুন ইলাল জান্নাতি” অর্থাৎ এক উমরা আদায়ের পর পরবর্তী উমরা আদায় করা ( এই দুই উমরা) মধ্যবর্তী গোনাহসমূহের জন্য কাফফারা। আর মকবুল হজের ( কবুল) সওয়াব জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।(বুখারী-মুসলিম)
কবুল হজ সম্পর্কে হযরত আবু হোরায়রা রা: হতে বর্ণিত একটি হাদীসে মহানবী সা: কে জিজ্ঞাসা করা হল: কোন আমল সবচাইতে উত্তম? তিনি বললেন: আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ঈমান আনা। আবার প্রশ্ন করা হল, এটির পর কোন কাজটি? তিনি বললেন: আল্লাহর পথে জিহাদ করা। পূনরায় প্রশ্ন করা হল: এটির পর আর কোন কাজটি? জবাবে তিনি বললেন: হজেজ মাবরুর।( অর্থাৎ যে হজ আল্লাহ কবুল করে নেন)।(বুখারী-মুসলিম)
মহানবী (সা:) বলেছেন: যে ব্যক্তি এই পরিমান পাথেয় এবং বাহনের মালিক হয়েছে যা তাকে আল্লাহর ঘর পর্যন্ত পৌঁছে দিবে, অথচ সে হজ করে নাই। সে ইহুদী কিংবা নাসারা হয়ে মৃত্যু বরণ করুক, এতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না। ( তিরমিযী)।
কারো ওপর হজ ফরজ হওয়া সত্ত্বেও যদি তিনি তা পালন না করেন তবে তিনি ফরজ ত্যাগ করার সমতুল্য গোনাহের শামীল হবেন এবং পরকালে তার জন্য ভীষণ আজাবের সংবাদ দেয়া হয়েছে। মহানবী (সা:) বলেছেন: যে ব্যক্তি হজের ইরাদা করেছে, সে যেন তাড়াতাড়ি করে। ( আবু দাউদ, দারেমী) হজ ফরয হওয়ার সাথে সাথে আদায় করা ফরয না বিলম্বে আদায় করা ফরয এ ব্যাপারে ইমামগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আযম আবু হনিফা(রহ:) এর মতে, হজ ফরয হওয়ার সাথে সাথেই হজ করতে হবে। দেরী করে আদায় করলে গুনাহগার হবে। মহানবী (সা:) বলেছেন, তোমরা হজ তাড়াতাড়ি সম্পাদন করবে। মৃত্যু মানুষের আবশ্যম্ভাবী। তাই হজ ফরয হওয়ার সাথে সাথে আদায় করা উচিত। কেননা সে জানে না আগামী বছর সে বাঁচবে কিনা। ইমাম শাফেয়ী ও ইমাম মুহাম্মদ(রহ:) এর মতে, হজ বিলম্বে আদায় করলেও চলবে। তবে ইমামদের সর্বসম্মত মতে, হজ ফরয হওয়ার পর মৃত্যুর পূর্বে যে কোন সময় আদায় করলে তা আদায় হয়ে যাবে। তবে আদায় না করে মৃত্যু বরণ করলে গুনাহগার হবে।
মহানবী (সা:) বলেছেন: “লা সারুরাতা ফিল ইসলামী” অর্থাৎ- হজ না করিয়া থাকা ইসলামে নাই।( অর্থাৎ হজ করার সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ না করা ব্যক্তি পূর্ণ মুসলিম না। ( আবু দাউদ)
হযরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত একটি হাদীসে মহানবী (সা:) বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা আরাফাতের দিনেতে বেশিসংখ্যক লোককে দোযখ হতে মুক্তি দেন, যা অন্য কোন দিনে দেন না। ( মুসলিম)
মহানবী সা: বলেন: শয়তান আরাফার দিন হতে অধিক লজ্জিত ও অপদস্ত আর কোন দিন হয় না, কেননা ওই দিন আল্লাহ তায়ালা স্বীয় বান্দাদের প্রতি অগণিত রহমত বর্ষন করেন এবং অসংখ্য গুনাহে কবিরা ক্ষমা করে দেন। মহানবী (সা:) এও বলেছেন, একটি বিশুদ্ধ ও মকবুল হজ সমগ্র পৃথিবী ও পৃথিবীর যাবতীয় বস্তুগুলোর চেযে উত্তম। বেহেস্ত ব্যতীত অন্য কোন বস্ত তার প্রতিদান হতে পারে না। হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রা: হতে বর্ণিত একটি হাদীসে মহানবী সা: বলেন: তোমরা হজ ও ওমরা সাথে সাথেই আদায় কর। কেননা, এই দুই কাজে দারিদ্র ও গুনাহ এমনভাবে দুর করে যেমন হাপর লোহা এবং সোনা-রুপার ময়লা দূর করে দেয়। আর কবুল করা হজের সওয়াব জান্নাত ব্যতীত কিছুই নহে।( তিরমিযী ও নাসাঈ)
হযরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমি প্রশ্ন করলাম ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা:) মহিলাদের উপর কি জিহাদ ফরজ? তিনি বললেন হ্যাঁ। তবে তাদের উপর এমন জিহাদ ফরজ যাতে সশস্ত্র যুদ্ধ নাই। তাহা হজ ও উমরা( ইবনে মাজাহ)
হযরত আবু হোরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ (সা:) কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, তিন শ্রেণীর লোক আল্লাহর যাত্রীদল, গাযী, হাজী ও উমরাকারী। (নাসায়ী ও বায়হাকী)
হযরত আবু হোরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন: যে ব্যক্তি হজ, উমরা অথবা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের নিয়তে বাহির হয়েছে, অত:পর সেই পথেই মৃত্যু বরণ করেছেন, তাহার জন্য গাযী, হাজী বা উমরাহকারীর সওয়াব লিখা হবে। (বায়হাকী) হজের সময় রাসুলুল্লাহর (সা:) এর কবর যিয়ারত করাও অত্যন্ত পুন্যের কাজ। মহানবী (স:) নিজে হজ করছেন এবং হজ করার জন্য সাহাবী কিরামদের উৎসাহিত করেছেন। ইহরাম বাধা (নিয়ত করা), আরাফাতের মযদানের অবস্থান করা, তাওয়াফে যিয়ারত করা বা কাবা ঘর ৭ বার প্রদক্ষিণ করা হলো হজের ফরয। এই তিনটি কাজের কোন একটি কাজ বাদ পড়লে হজ হবে না। অপরদিকে মুযদালিফায় অবস্থান করা, সাফা-মারওয়া পাহাড় সায়ী করা, মিনায় পাথর নিক্ষেপ করা, তাওয়াফে সদর বা বিদায়ী তাওয়াফ করা এবং মাথার চুল মুন্ডন করা হলো হজের ওয়াজিব কাজ । এর কোন একটি বাদ দিলে একটি দম( জন্ত কুরবানী) দিতে হবে। হজ তিন প্রকার: ইফরাদ, তামাত্তো ও কিরান। ইমাম শাফেয়ী ও মালেক (রহ:) এর মতে, হজে ইফরাদ উত্তম, মীকাত হতে শুধু হজের উদ্যেশে ইহরাম (নিয়ত) করাকে ইফরাদ হজ বলে। ইমাম আহমদ (রহ:) এর মতে, হজে তামাত্তু উত্তম, হজ ও ওমরাহর জন্য পৃথক পৃথক নিয়ত করে পৃথক পৃথকভাবে হজ ও ওমরাহর কাজ সমাধান করাকে তামাত্তু হজ বলে। ইমাম আযম আবু হানিফা (রহ:) এর মতে, হজে কিরান উত্তম, মীকাত হতে এক ইহরামে ( নিয়ত) প্রথমে ওমরা সম্পাদন করে একই ইহরামে হজের কাজ শেষ করাকে কিরান হজ বলে। হজে কিরান তুলনামূলকভাবে কঠিন। আর যে কাজে কষ্ট বেশী, সে কাজের সওয়াবও বেশী। বিদায় হজে মহানবী(সা:) কিরান হজ করেছেন।
একজন মুসলিম হজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সান্নিধ্য লাভ করে। আল্লাহর আহবানে সাড়া দিয়ে কাবায় সমবেত হয়। আদালতে আখিরাতে আল্লাহর দরবারে সমাবেত হওয়ার পূর্বেই দুনিয়াতে এক পবিত্র সমাবেশে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হওয়ার প্রেরণা যুগায়। ফলে হজ সম্পাদনের মধ্য দিয়ে মুসলিম জতি আধ্যাত্বিক শান্তি ও স্বস্তি লাভ করে। আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য নিয়ামত, কুদরাত ও ক্ষমতা ও আরবভূমির নিদর্শনসমূহ দেখে তার অন্তরে আল্লাহভীরু হওয়ার বিপুল প্রেরণা ও উৎসাহ জন্মায়। সাম্যবাদী চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশ ঘটায়। এ আন্তর্জাতিক মহসম্মেলনে বিশ্ব মুসলিম উপস্থিত হয়ে তাদের বার্ষিক কার্যকলাপ মূল্যায়ন করে পরবর্তী বছরের কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। মুসলিম জাতির মধ্যে পারস্পারিক সমস্যাগুলো অত্যন্ত আন্তরিকতার পরিবেশে সমাধানের পথ তৈরী করে দেয় হজ। অপর ভাইকে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রবণতা গড়ে উঠে। সে শুধু পশু কুরবানী করে না। তার মধ্যে ষড়রিপু আছে তা কুরবানী করে হৃদয় মনে প্রফুল্লতা বয়ে আনে। এ ভাবে সে ক্ষুদ্র ত্যাগ থেকে সে বৃহত্তর ত্যাগের প্রশিক্ষণ পায়। হজ পৃথিবীর সকল অঞ্চল, গোত্র, বর্ণ ,ভাষার মুসলিমদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার শিক্ষা দেয়। শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক জীবন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে হজ এক অনন্য দৃষ্টান্ত। হজ মুসলিম জাতিকে ঐক্য, সৌহার্দ্য, সাম্য, মৈত্রী, সমতা, একতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে। এ সময়ে মানুষের মধ্যে কোন ভেদাভেদ থাকে না। আরাফাতের ময়দানে ধনী-গরীব, রাজা-বাদশাহ, ফকির-মিসকিন, সাদা-কালো সব শ্রেণীর মানুষ একত্র হয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইবাদাত করে থাকেন। হজের মাধ্যমে মুসলিম জাতি একটি সুন্দর প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারে। হজের মাধ্যমে মুসলিম জাতি পরিশুদ্ধ হয়ে উঠতে পারে। আল্লাহ তা‘য়ালা আমাদেরকে হজের মাধ্যমে পরিপূর্ণ সওয়াব প্রদানের তাওফীক দান করুন। আমিন।

লেখকঃ ড: মো: আব্দুল গাফফার মল্লিক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
19202122232425
2627282930  
       
       
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
এক ক্লিকে বিভাগের খবর