শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  

কুমারখালীতে জলাবদ্ধতায় পশুহাট, কৃষিজমিসহ পানিবন্ধী শতাধিক পরিবার

আসানুল বাবুঃ / ৭০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

কুমারখালীতে জলাবদ্ধতায় পশুহাট, কৃষিজমিসহ পানিবন্ধী শতাধিক পরিবার

আসানুল বাবুঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ৮ নং যদুবয়রা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী যদুবয়বরা পশুহাট ও পার্শ্ববর্তী প্রায় ৪০/৪৫ বিঘা ধানীজমি এবং ৩নং ওয়ার্ড জোতমোড়া ও ৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ যদুবয়রা গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার বৃষ্টির পানিতে পানিবন্ধী হয়ে পরেছে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, যদুবয়রা পশুহাট সংলগ্ন লালন বাজার থেকে পান্টি পর্যন্ত গ্রামীণ সড়কের পাশ দিয়ে ছিল পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকারি খাল। ওই খাল দিয়ে বৃষ্টির পানি পাশের বিলে প্রবাহিত হত। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ খাল সংস্কার না করা এবং খাল দখল করে স্থানীয়দের অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি নির্মাণ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এবিষয়ে জোতমোড়া গ্রামের দিনমজুর মনছের শেখের স্ত্রী খাদিজা খাতুন বলেন, ঘরের মধ্যে বৃষ্টিতে জমা হাটু পানি।রান্নার চুলা জ্বলেনা। বাড়ির বাইরে যাওয়া আসা করা যায়না।সাপ ও পোকামাকড়ের ভয়ে ঘুম হয়না।পানির মধ্যে খুব কষ্টে জীবন কাটাচ্ছি। একই গ্রামের নুরুল আলম বলেন, আমি একজন অটো ভ্যান চালক।বাড়িতে হাটু পানি হওয়ায় ভ্যান আনা নেওয়া করা যায়না।বছরের ৩ থেকে ৪ মাস এমন কষ্ট। দক্ষিণ যদুবয়রা গ্রামের আক্তার বলেন, পানি বের হওয়ার রাস্তায় ঘরবাড়ি নির্মাণ করায় আমাদের এমন ভোগান্তি।ঘরে বাইরে সব জায়গায় পানি।ছোট ছোট ছেলেমেয়ে ও গরু বাছুর নিয়ে খুব কষ্টে আছি। কুমারখালী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেনিতে পড়ুয়া ছাত্রী রিতা খাতুন বলেন, প্রতিবছরই এমন সমস্যা হয়।একটু বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি।

এবিষয়ে ঐহিত্যবাহী যদুবয়রা পশুহাটের ইজারাদার শাজাহান হোসেন বাবু বলেন,ত্রিশ লক্ষ টাকা দিয়ে হাট ডেকেছি।সেই হাটে বৃষ্টি হলেই তিন চার ফুট পানি জমে।প্রতি বছরেই তিন থেকে চার মাস এমন বৃষ্টির পানি জমে থাকে হাটে।সেই সময় হাট চালাতে অন্য জমি ভাতা নেওয়া হয়।এতে প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকা খরচ গুণতে হয়।

কৃষক শাজাহান আলী খান বলেন,আমার দুই বিঘাসহ এখানে জলাবদ্ধতায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ বিঘা ধানি জমি রয়েছে।আমন বোরো সব ধানই এখানে চাষ করা হয়।কিন্তু বৃষ্টির পানি বের হবার রাস্তা না থাকায় মাজা সমান পানি জমে প্রতিবছরই ফসলের ক্ষতি হয়।

এবিষয়ে যদুবয়রা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল আলম বলেন,বিষয়টি নজরে এসেছে।প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কার্য পরিকল্পনা চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, যদুবয়বা পশুহাট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমার জানা নেই।তবে লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর