শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




চার, পাঁচ, ছয় মহিলা কাউন্সিলর ডলি হয়েছে ঘরের মেয়ে, করেছে মন জয়।

বাবলু মোস্তাফিজ, সম্পাদকঃ আন্দোলনের ডাক ডট কম / ২৩১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন




ভেড়ামারা পৌরসভার চার, পাঁচ, ছয় মহিলা কাউন্সিলর ডলি হয়েছে ঘরের মেয়ে, করেছে মন জয়।

বাবলু মোস্তাফিজঃ

শুধুমাত্র ভালোবাসা ও নিবিড় যোগাযোগ, সুসময়, দুঃসময় মানুষের পাশে থাকার কারণে আজ ব্যাপক জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে ভেড়ামারা পৌরসভার তিনবারের মহিলা কাউন্সিলর ডলি খাতুন।

তিনি দিন-রাত, ঝড়-বৃষ্টি এগুলোকে উপেক্ষা করে, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আর এ কারণেই আজ ডলি খাতুন ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে নিজেকে আবির্ভূত করতে পেরেছেন। সে একজন খুবই সাধারণ ঘরের গৃহবধূ। অর্থ, বিত্ত, যশ, খ্যাতি কিছুই তার নেই। আছে তার মমতা ময়ী হাসি। আছে তার নিখাদ ভালবাসার বিশাল ভান্ডার। আছে তার মানুষের মন জয় করার অপূর্ব ক্ষমতা। আছে তার নিষ্ঠা, সততা, দায়িত্ববোধ। আছে মানুষের কথা রাখার দায় বদ্ধতা। এগুলোই তার একমাত্র সম্বল।
এগুলো অর্জন করতে তাকে অনেক প্রতিকূল অবস্থা ও পরিবেশ পাড়ি দিতে হয়েছে। আর এর ফলাফল সরুপ বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বার বার। এভাবে যদি বলি বিপুল ভোটে নয়, মানুষের ভালোবাসা পেয়ে জয়ী হয়েছেন বার বার।

এখন পর্যন্ত এ ভালোবাসাকে কর্মদক্ষতার সাথে ধরে রেখেছেন। গত করোনাকালে চরম সংকটের মাঝেও তার অভাবের সংসারের মধ্যে থেকেও অভাবী মানুষের পাশে এক মুঠো চাল নিয়ে হলেও দাড়িয়েছেন তিনি। সরকারের দেয়া সাহায্য-সহযোগিতা সততার সাথে তাদের মাঝে বন্টন করেছেন। প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত সে ভোর থাকতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ৪,৫,৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ভাল-মন্দ খোঁজখবর নিতে।
এসময় তাদের অভাব-অভিযোগ আন্তরিকতার সাথে মন দিয়ে শোনেন এবং তার সীমাবদ্ধতার মধ্যে যেগুলো সম্ভব সেগুলো আন্তরিকতা দিয়ে সমাধান করেন। যদিও মহিলা কাউন্সিলের করনীয় সীমিত। তবুও তিনি কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে সকল উন্নয়ন মূলক ও সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তার মত এত জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর পৌরসভার মধ্যে হাতেগোনা দুএকজন রয়েছে। অর্থাৎ ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর রুমা খাঁন ও ৪,৫,৬এর ডলি খাতুন।
এমনও দিনে গভীর রাতে ডলি খতুনের কাছে সংবাদ এসছে কোন এক পরিবারের বিপদ। সাথে সাথেই তিনি সময় বা গভীর রাত চিন্তা না করেই, সেই গভীর রাতেই ছুটে গেছেন সেই বিপদগ্রস্ত বাড়িতে। পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সকল করণীয় আন্তরিকতার সাথে করেছেন। সেই পরিবার তার চরম দুঃসময়ের বন্ধু হিসাবে ডলি খাতুন কে কাছে পেয়ে মানসিকভাবে শক্তি ও স্বস্তি পেয়েছে। তখনি ওই পরিবারের ভালোবাসা বা অন্তরের গভীরে স্থান করে নিয়েছেন ডলি খাতুন। পাশাপাশি হয়েছেন পরিবারের একজন মেয়ে। একজন সদস্য। তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও তার মধ্যে কোন অহংকার বোধ বা তার মধ্যে কাউন্সিলর ভাব লক্ষ করা যায়নি। লোভ-লালসা, অর্থ কামায়ের ধান্দার পিছনে পিছনে ছোটেনি বলেই ৪,৫,৬ এর মানুষের কাছে ডলি খাতুন প্রিয় ডলি খাতুন, ডলি হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছন। ভলি খাতুন মানেই সবার কাছে আস্থার নাম। লিখতে মানা নেই আসলে মানুষের কাছে সে একজন বিশ্বস্ত বন্ধু। সেজন্যই ভোট আসলেই অর্থহীন ডলি খাতুনের ভোটের মাঠে টাকা খরচ করতে হয় না। ভোটাররাই প্রয়োজনীয় খরচটুকু করে থাকে। এমন বিরল ভালোবাসা এই সমাজে কতজন নারী অর্জন করতে পেরেছে তা সত্যিই অজানা। তিনটি ওয়ার্ডে বিধবা ভাতা ১৫০জন, বয়স্ক ভাতা ১৫০জন, প্রতিবন্ধী ভাতা ৪০জন, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ১৫জন, মাতৃভাতা প্রায় ৪০০ জনকে কার্ড প্রদান করেছেন।
৪,৫,৬এর জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর ভলি খাতুন বলেন, ছলোনা বা কৃত্রিম ভালোবাসা দিয়ে দীর্ঘ সময় টিকে থাকা যায়না। আমি আমার সিমাব্ধতার কথা জানি। তাই যেটুকু আছে সেটুকু কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। মানুষ খাবার চায় না, চায় ভালোবাসা। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে কাছে পাওয়া এটুকুই। এইটা যদি দিতে না পারি তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি আর কিসের আপন জন। কেনইবা আমাকে ভোট দিবে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর