শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার পদ্মানদীর ভাঙনের হুমকির মুখে ফসলী জমি ও বসতি

সাজ্জাদ হোসেন সেতু / ১২৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন




কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার পদ্মানদীর ভাঙনের হুমকির মুখে ফসলী জমি ও বসতি

সাজ্জাদ হোসেন সেতু   

পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রায়টা ঘাট এলাকা থেকে শুরু করে দৌলতপুরের মরিচা ইউনিয়নের পোড়ারদিয়ার পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভাঙ্গন। মাত্র কয়েকদিনে নদীগর্ভে চলে গেছে কয়েক হাজার বিঘা ফসিলজমি। এতে চরম হুমকির মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধসহ ঘনজনবসতি। তাই বাড়ী ঘর হারানোর চিন্তুায় নির্ঘুমরাত কাটাচ্ছেন এখানে বসবাসরত হাজার হাজার মানুষ। দৌলতপুর উপজেলা মরিচা গ্রামের কৃষক মোসলেম জানান, গত কয়েকদিনে তার নিজস্ব ৭০ বিঘা জমি চলে গেছে নদী গর্ভে। এভাবে দুই উপজেলার পদ্মাপাড়ের প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকার কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি চলে গেছে নদীতে। নদী ভাঙ্গন এতোই তীব্র যে রক্ষাবাঁধের খুব কাছে চলে এসেছে নদী। ফলে শেষ সম্বল নিজেদের বসত বাড়ী বাঁচানোর জন্য নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে বাধের উপর বসবাসকারী কয়েক হাজার পরিবার। এতকিছুর পরও থেমে নেই অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন এবং বড়বড় নৌযানের মাধ্যমে তা বহন। এলাকাবাসী বলছে বড় বড় নৌকা নদীর পাড় দিয়ে যাওয়ার কারণে ভাঙন আরো তীব্র হচ্ছে। দৌলতপুরবাসী বলছে, দৌলতপুরের ৩ কিলোমিটার এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাদের বাড়ি ঘরও হুমকির মুখে। তারা বাড়ি থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। এদিকে ভোড়ামারা উপজেলার রায়টা ঘাট এলাকায় রায়টা গ্রামের অর্ধেকের বেশী ঘর বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্র্র্বাহী প্রকৌশলী পিজুস কৃষ্ণ কুন্ডু জানান, নদী ভাঙন তীব্র হওয়ার কারণে রক্ষাবাঁধ নিয়েই তারা চিন্তিত। তারা প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেছেন। প্রাথমিক কোন কাজ করে এই ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। ভাঙন রোধে বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেয়ার জন্য প্রস্তাবনা রেখেছি পানি উন্নয়ন বোর্ড এমনটি জানান নির্বাহী প্রকৌশলী। এব্যাপারে কুষ্টিয়া ১ আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম সারোয়ার জাহান বাদশাহ এর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর