শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




কুষ্টিয়ায় মধু চাষে সফল মামুন

সাজ্জাদ হোসেন সেতু / ১৭৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন




কুষ্টিয়ায় মধু চাষে সফল মামুন
অনেকটা শখের বশে মাত্র চারটি মধুর বাক্স কিনে সরিষা ক্ষেতে রাখেন। কিছুদিন পর থেকে তিনি মধু সংগ্রহ শুরু করেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেন মৌ চাষ। এখন তার খামারে কয়েকশ’ মৌমাছির বাক্স। গড়ে তুলেছেন ‘মিষ্টি মৌ-খামার’। বলছিলাম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গেটপাড়া গ্রামের মামুন-অর-রশিদের কথা। মৌমাছি চাষ করে তিনি এখন বেশ স্বাবলম্বী। এলাকায় তিনি এখন ‘মধু মামুন’ নামে পরিচিত।
জানা গেছে, পড়াশোনা শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন মামুন। কিন্তু তা আর বেশিদিন করা হয়ে ওঠেনি। এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতেই উদ্যোগ নেন মৌ খামার গড়ে তোলার। এরপর থেকেই মধুর বাণিজ্যিক চাষের দিকেই মনোযোগী হন তিনি। তার খামারে এখন ১৬ জন কর্মী কাজ করেন। বছরে ১০-১২ টন মধু উৎপাদন হয় তার খামারে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে তার মধু এখন রফতানি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়।


মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে মিরপুর উপজেলার ধুবাইল মাঠের খামারে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তৃত সরিষা মাঠে চলছে মধু আহরণ। সরিষা ক্ষেতের মাঝে ফাঁকা একটু জায়গার বেশ কিছু কাঠের বাক্স। সেখানে পুরো মাঠ থেকে মৌমাছির আনাগোনা। প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেসব বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মামুন-অর-রশিদ বলেন, ‘১৯৯৭ সালে শখের বসে ২ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে মাত্র ৪টি মধুর বাক্স কিনে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ শুরু করি। ১৯৯৮ সালে মাস্টার্স পাস করে কিছুদিন চাকরি করেছিলাম। ভালো না লাগায় চাকরি ছেড়ে মধুর বাণিজ্যিক চাষ শুরু করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুষ্টিয়ার মিরপুর ও নাটোরের গুরুদাসপুর এবং চলনবিলে এবার সরিষার ফুল থেকে মধু আহরণ করছি। এছাড়াও এবারই প্রথমবারের মতো রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে টমেটো ফুলের মধু সংগ্রহ শুরু করেছি।’
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে কালজিরা ফুলের মধু ও লিচু ফুলের মধুও সংগ্রহ করেন। এ বছর ৩০০টি বাক্স থেকে থেকে দুই হাজার কেজি মধু পাবেন বলে আশা করছেন।
খামারে কর্মরত জাহান আলী নামের এক শ্রমিক জানান, এই খামারে কাজ করেই তার সংসার চলে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাকে মধু সংগ্রহ করতে হয়। খামারে কয়েকজনের কর্মসংস্থান হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মামুন বলেন, ‘কৃষি অফিসার আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। আমাকে কুষ্টিয়া, চলনবিল, মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মধু আহরণে যেতে হয়। তাদের কাছ থেকে মৌ বাক্সসহ রানী মৌমাছি এবং মধু আহরণের জন্য একটি পিকআপ পেয়েছি। এছাড়াও উন্নতমানের বাক্সসহ বিভিন্ন সময়ে নানান সুযোগ সুবিধা পেয়েছি।’

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘উপজেলার মডেল মৌ-খামারি মামুন মধুর চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার সাফল্য দেখে আরও অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে মধু চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। সাধারণ উপায়ে মধু সংগ্রহ করতে গেলে মান ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। আর মামুনের খামারে প্রযুক্তির ব্যবহার করায় মধুর মান অক্ষুন্ন থাকে।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর সাড়ে এগারশ’ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। এবছর বারোশ’ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।


মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিংকন বিশ্বাস বলেন, ‘মিরপুর উপজেলায় তামাকের চাষ ছিল অনেক বেশি। তবে এখন তামাক চাষ কম লক্ষ্য করা গেছে। এখন মাঠজুড়ে হলুদ সরিষা দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর