শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




জুনিয়াদহে মসজিদের জায়গা দখলের অপচেষ্টা!

কুষ্টিয়া অফিসঃ / ৬৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন




জুনিয়াদহে মসজিদের জায়গা দখলের অপচেষ্টা!

ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নে জুনিয়াদহ বাজারের পাশে মসজিদের জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দেওয়া জমি দখলের হীন অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি পক্ষ। এ বিষয়ে মসজিদ কমিটি জমি উদ্ধারে তৎপর হলে দখলকারী দখল পাকাপোক্ত করতে ওই জমিতে বসতঘর সংস্কার করে দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে জানান মসজিদ কমিটি।

গত ২০/০১/২১ তারিখে
মসজিদ কমিটি জায়গা খালি করার একটি নোটিশ পাঠানোর পর পরই ৩০বছর পর হঠাৎ আবারও জায়গায় গিয়ে দখল না ছেড়ে গত ০১/০২/২১ তারিখে
দখল নিতে পুরাতন বাড়ি সংস্কার করতে তৎপর হয়ে উঠে দখলদার হাফেজ আব্দুল কালাম।

পরে মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মুসুল্লি এবং বাসিন্দারা ইউপি সদস্য (মেম্বর) তারিকুল ইসলাম কে সাথে নিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়।
কিন্তু দখল এখনো ছাড়িনি বলে জানিয়ছেন
জুনিয়াদহ বড় ও ছোট মসজিদ’র সভাপতি নাসির উদ্দীন।
এদিকে দখলকারী হাফেজ আব্দুল কালাম’র সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাসেম মিয়ার জমিতে আমি বাড়ি করে আছি।

এটাত মসজিদের দানকৃত সম্পত্তি আপনি দখলে রেখেছেন কেন? জানতে চাইলে, আবদুল কালাম বলেন, মসজিদের নামে জমি আগে, না আমার বাড়ি আগে ও সব আমি বুঝি না, বাড়ি আমার ত জায়গাও আমার, আমি জমি ছাড়বো না।

রায় হয়েছে সেটাও কি মানেন না, জানতে চাইলে, তিনি বলেন না মানি না। তবে তিনি জানিয়েছেন আমার জায়গা জমি নেই শহরের নওদাপাড়ায় আমি ভাড়া থাকি মাত্র।

এ বিষয়ে জুনিয়াদহ গিয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে,
দান কৃত জমির মালিক মৃত খন্দকার কাসেম মিয়া ১৯/০১/৬০ সালে জুনিয়াদহ বাজারের পাশে ৫১শতকের মধ্যে ৪২ শতক জমি বড় মসজিদ ও ছোট মসজিদে ওয়াকফ করে দেন।
বাকি ৯ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক জমির উপর বাড়ি করে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে সিরাজ খাঁ।

৫শতক জমি বিক্রি করে দেয় কাসেম মিয়ার শরিকরা।

বিক্রির ৫শতক জায়গা বিক্রির মধ্যে পড়লে সিরাজ খাঁ চলে যায়।
তাও ৩০ বছর হলো চলে যাওয়া। এ পর্যন্ত বাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে দীর্ঘদিন।
এরই মধ্যে মসজিদ জায়গা বুঝে নিতে গত ২০/০১/২১ তারিখে দখলকৃত জায়গায় ইমারত সড়াতে নোটিশ পাঠানো হলে উল্টো ০১/০২/২১ তারিখে দখলকারী সিরাজ খাঁর ছেলে হাফেজ আবুল কালাম দিং পরিত্যক্ত বাড়ি সংস্কার কাজ শুরু করে।
মসজিদ কমিটির আপত্তি আবেদনের পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দখল না ছেড়ে ওই বাড়িতে এখনও বসবাস করার চেষ্টা করছে আবুল কালাম! অথচ তার ভেড়ামারা শহরের নওদাপাড়ায় নিজ জমিতে একটি বাড়ি রয়েছে।

দখলকারী শরিকের জমিতে আছে এমন দাবি করলেও মৃত কাসেম মিয়ার শরিকদের সাথে বন্ঠন নামা মামলার রায় হয় ২১/০৪/২০১১ তারিখে। রায় মৃত কাসেম মিয়ার পক্ষে হয়। ওয়াকফ নামা দলিল নং-৭০৪৭।
কাসেম মিয়ার নাতি ছেলে আমজাদুর রহমান রুমেল জানান, আমার দাদা বড় মসজিদ ও ছোট মসজিদের নামে জমি ওয়াকফ করে দিয়ে যান।
দখলদার দখল ছেড়ে চলেও যান কিন্তু কি কারনে তিনি ৩০ বছরে জমি খালি না করে সম্পত্তি দখলে রেখেছন তা রহস্য। দখলকারী হাফেজ মোঃ আব্দুল কালাম’র বাবা ছিলো ৩০ বছর আগে।
ওনি আমাদের শরিক নয়, আবার তার ছেলে আব্দুল কালাম ভেড়ামারা শহরের নাগরিক। ভোটারও ওখানে। সেখানেই বাড়ি।
তিনি কি করে এ জায়গা তার দাবি করে দখলে রাখে?

মসজিদের ভারপ্রাপ্ত মোতাল্লী ও দানকারী মৃত কাসেম মিয়ার নাতি ছেলে মিজানুর রহমান বিদুৎ জানান, দাদার শরিকদের সাথে বন্ঠন নামা মামলা চলে সেই রায়ও ২০১১ সালে চুড়ান্ত রায় হয় দাদার ওয়াকফ মালিকানা অর্থাৎ মসজিদ কমিটির পক্ষে আসে তারপরও কেন জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে না প্রশ্ন।
মসজিদ কমিটির নাসির উদ্দীন জানান, দখল ত ছাড়িনি উল্টো বাড়ি মেরামত করে দখল পাকাপোক্ত করতে ৩০ বছর পর হঠাৎ বাড়িতে উঠেছে। আমরা মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ইউপি সদস্য বরাবর মসজিদের নামে রেকর্ডকৃত সম্পত্তিতে অবৈধ ভাবে প্রাচীর, পায়খান ও বাড়ি নির্মাণ ও মেরামত করছে এই মর্মে দরখাস্ত দিয়েছি।

তিনি জোর দাবি নিয়ে জানান, হাফেজ মোঃ আব্দুল কালাম দিং পিতা- সিরাজ খাঁ কি ভাবে দখল করে রাখে। আমাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখে তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছি।
স্থানীয় লোকজন ও মুসুল্লিরা জানান, মসজিদের জায়গা নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। জায়গা দখলের অপচেষ্টা যারা চালাচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মসজিদের জায়গা উদ্ধারে সকলের সুদৃষ্টি ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর