শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




নিষেধাজ্ঞা অমান্য কুমারখালীর টুরিষ্ট পয়েন্ট রেস্টুরেন্টে উপচে পড়া ভিড়

মোঃ সবুজ হোসেনঃ কুমারখালি / ৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন




নিষেধাজ্ঞা অমান্য কুমারখালীর টুরিষ্ট পয়েন্ট রেস্টুরেন্টে উপচে পড়া ভিড়

মোঃ সবুজ হোসেন/কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার লাইনীপাড়া মোড় ঢাকা রোড সংলগ্ন এলাকায় অনুমোদনহীন ভাবে গড়ে উঠেছে টুরিষ্ট পয়েন্ট রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ।

করোনা দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কুষ্টিয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের সাক্ষরিত এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, ৩১ মার্চ হতে দুই সপ্তাহের জন্য জেলায় সকল ধরনের জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবং হোটেল রেস্টুরেন্ট গুলোতে ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কিন্তু সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টুরিষ্ট পয়েন্ট রেস্টুরেন্ট মালিক পক্ষ কোন নিয়ম না মেনেই রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছে। এখানে আসা মানুষের মুখে মাস্ক নেই। এখানে ছোট বড় সাবাই গাদাগাদি করে এক জায়গায় বসে আড্ডা দিচ্ছে। নো মাস্ক নো সার্ভিস এর কোন বালাই নেই এখানে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রেস্টুরেন্ট খোলা থাকে। রাতে গেলে দেখা যায়, টুনি বাল্বের আলোতে মেয়ে ছেলে একজায়গায় বসে আছে। আলো স্বল্পতার কারণে এখানে অনৈতিক কার্যকলাপের সংখ্যা রয়েছে। পাশেই রেললাইনের জঙ্গল এখানে সন্ধ্যার পরে অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। এতে করে রেস্টুরেন্টের কারণে যাতে উঠতি বয়সের যুবক-যুবতীরা অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতে পারে এমন আশঙ্কা জানান এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন।
রেস্টুরেন্ট মালিক সুমন হোসেন জানান, আমার রেস্টুরেন্ট চালানোর সব কাগজপত্র আছে। এখানে কোন অনৈতিক কার্যকলাপ হয় না।

এই বিষয়ে নির্বাহি কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, রেস্টুরেন্ট রেলের জায়গায় আছে। এটা অনুমতি উপজেলা প্রশাসন দিতে পারে না। তবে করোনার সময় গণজমায়েতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর