শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
করোণা মোকাবেলায় সচেতন করছে জাসদ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্লাবন। কুমারখালীতে কঠোর বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে করোনা, নাগরিক কমিটির উদ্বেগ আক্রান্ত-৮৭ কুমারখালীতে একাধিক মামলার আসামীকে গায়েবী মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাটগ্রামে অসহায় আব্বাস আলীর চোখের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও! মিরপুর পৌর এলাকা ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন খোকসায় যুদ্ধকালীন সময়ের পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতীক শোষণ করা হচ্ছে না তোঃপ্লাবন। মেহেরপুরে High flow oxygen canal উপহার দেওয়াই প্লাবনের শুভেচ্ছা পরিবর্তনের মেহেরপুরের এ্যাডমিন সাইদুর রহমান এর সাথে সহমত পোষণ করলেনঃপ্লাবন।
ঘোষনা :
আন্দোলনের ডাক ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আন্দোলনের ডাক ডটকমের সাথে থাকুন । আন্দোলনের ডাক ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন।   আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ  ই-মেইল: , প্রয়োজনে মোবাইলঃ  




দৌলতপুর সীমান্তে চোরাপথে বাংলাদেশিদের যাতায়াত করোনা সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা

আহমেদ রাজু / ৩১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন




দৌলতপুর সীমান্তে চোরাপথে বাংলাদেশিদের যাতায়াত করোনা সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা

আহমেদ রাজু, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে গোপনে চোরাপথে বাংলাদেশীদের যাতায়াতের ফলে সীমান্ত এলাকায় করোনা রোগি সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা বেড়েছে। তবে সীমান্ত এলাকায় সীমান্তরক্ষী বিজিবি’র টহল জোরদার করা হলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাড়তি কোন নজরদারি লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। ঈদের এক সপ্তাহ আগ থেকে সোমবার পর্যন্ত চোরাকারবারী ও ভারতের কেরালায় যাতায়াতকারী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। এরা সকলেই দৌলতপুর সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দা। এদের মধ্যে কেরালা ফেরত একজন চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশকালে বিজিবি তাকে আটক করে দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করেছে।

সীমান্ত এলাকা ঘুরে জানা গেছে, গত ২০ দিনে দৌলতপুর উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন পাকুড়িয়া ভাঙাপাড়ার ইছাহক আলীর ছেলে রিয়াজুল ইসলাম (৩০), মুন্সিগঞ্জের শুকুর আলীর ছেলে মতিউর রহমান মতি (২৭), মহিষকুন্ডি মাঠপাড়ার আসাদের ছেলে কালু (২৬) ও শাজাহানের ছেলে লিটন (২৫) সহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী গোপানে ভারত থেকে অবৈধভাবে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত ২১মে ভারতের কেরালা থেকে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশকালে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সীমান্ত থেকে বিদুছ মন্ডল (৪০) নামে এক বাংলাদেশীকে আটক করে তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দিয়ে দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করেছে রামকৃষ্ণপুর বিওপি’র বিজিবি। সে ভাগজোত এলাকার কাওছার মন্ডলের ছেলে। দৌলতপুর থানার ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভারত থেকে বৈধ পথে দেশে ফেরার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে অবৈধভাবে দেশে ঢোকার খবর রয়েছে। তবে করোনা আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বাড়লেও এখানকার মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না অনেকেই। আবার এ ব্যাপারে প্রশাসনের বাড়তি কোন পদক্ষেপ বা নজরদারিও চোখে পড়ছে না।

গোপনে চোরাপথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের বিষয়ে সীমান্ত সংলগ্ন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, চোরাপথে অবাঁধে বাংলাদেশীদের যাতায়াতের সুযোগ নেই। কেউ যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও সজাগ রয়েছে। তবে মাদক চোরাকারবারীদের অবাঁধ যাতায়াত ও মাদক পাচার কারবার আগের মতই চলমান আছে।

ভারত সীমান্ত ঘেঁষা উপজেলা হিসেবে করোনা প্রতিরোধে বাড়তি কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাব বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তের ১৪টি বিজিবির বিওপির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে তাদের প্রয়োজনীয় নিেের্দশনা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে ভারত সীমান্ত লাগোয়া দৌলতপুর উপজেলা হওয়ার কারনে কুষ্টিয়া জেলায় ঈদের পর থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলায় নমুনা পরীক্ষায় সনাক্তের হারও বেড়েছে। কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভারত ফেরতদের মধ্যে ৩ জন করোনা রোগী পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা খারাপ, তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কারো শরীরে করোনার ভারতীয় ধরণ সনাক্ত হয়নি। এছাড়া এসব নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা এখনো হয়নি। তিনি আরো বলেন, ঈদের সময় মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মেলামেশা করায় সম্প্রতি আক্রান্তের হার বেড়েছে। সিভিল সার্জন বলেন, ১০ দিন আগে নমুনায় পরীক্ষায় আক্রান্তের হার ছিল ১০ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে। সেটি এখন ১৩ থেকে ১৬ শতাংশে ঠেকেছে।

 





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....




Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর